পারফেক্ট টাইম নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে রীতিমতো এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং সরকারি সূত্রে স্বীকার করা হয়েছে, যা পরবর্তী কয়েক দশক ধরে অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে বদলে দিতে পারে।

ইরানের সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, এই দুর্যোগের মুহূর্তে ক্ষমতার শূন্যস্থান পূরণে একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব গঠিত হয়েছে। দেশটির অস্থায়ী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আয়াতোল্লা আলিরেজা আরাফি, যিনি এখন রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন যতক্ষণ না নতুন স্থায়ী নেতা নির্বাচন করা হয়।

United States of America ও Israel-এর যৌথ অভিযানের পর পরিস্থিতি তীব্র হয়ে উঠেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী এই সংঘাতকে “অপরাধমূলক ব্যবস্থাকে প্রতিহত করা” হিসেবে বর্ণনা করেছে, যেখানে খামেনির মৃত্যুকে একটি বড় লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ। সংকট দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মূল্য ওঠানামা করতে পারে এবং এতে ভারতের মতো তেল আমদানিকারী দেশগুলোর অর্থনীতিতে চাপ বাড়তে পারে।সংকটকালে বহু ভারতীয় কর্মী ও ভ্রমণকারী Iran-এ আটকে পড়েছে। নির্মাণ, স্বাস্থ্য ও পরিষেবা খাতে কাজ করা এই নাগরিকরা পরিস্থিতি অনিশ্চয়তার কারণে দেশে ফিরতে বা কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন না। তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং খোঁজসন্ধান নিয়ে Ministry of External Affairs সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।



















Leave a Reply