পারফেক্ট টাইম নিউজ ডেস্ক : আজ ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে ৪.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে সীমান্তবর্তী এলাকা এবং কলকাতা সহ আশপাশের জেলাগুলোতে। প্রাথমিকভাবে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

কোথায় ও কীভাবে ঘটল কম্পন
জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় টেকটোনিক পাতের সঞ্চালনের আওতায় রয়েছে। ভারতীয় ও ইউরেশীয় পাতের পারস্পরিক গতির প্রভাবে এই অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই কম্পন অনুভূত হয়। আজকের কম্পন সেই ভূতাত্ত্বিক বাস্তবতারই আরেকটি স্মারক।
আফটারশকের আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মূল কম্পনের পর আফটারশক বা পরবর্তী ছোট মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে আগামী কয়েকদিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কেন এই অঞ্চল ঝুঁকিপূর্ণ?
ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল ভূকম্পন প্রবণ জোনের মধ্যে পড়ে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারত ও গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বিস্তীর্ণ অংশ টেকটোনিক গতিবিধির কারণে সংবেদনশীল। অতীতে একাধিক মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্প এই অঞ্চলে আঘাত হেনেছে, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঝুঁকির দিকেও ইঙ্গিত করে।
আজকের ভূমিকম্প আবারও মনে করিয়ে দিল—এই অঞ্চল ভূকম্পন প্রবণ এবং যেকোনো সময় পুনরায় কম্পন হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও প্রস্তুতিই হতে পারে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।




















Leave a Reply