বনগাঁয় কপালী সম্প্রদায়ের সম্মেলনে রাজনৈতিক সংরক্ষণের দাবি

নীরেশ ভৌমিক : পতাকা উত্তোলন ও সংগঠনের রাজ্য সভাপতি তুষার কান্তি হালদার, রাজ্য কমিটির সম্পাদক গিরিজা শংকর রায় ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র মন্ডল, সম্পাদক স্বপন কুমার দত্ত কর্তৃক মঙ্গলদীপ প্রোজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে গত ৯ নভেম্বর

সকালে বনগাঁর কালীতলা বিশ্ববন্ধু শিক্ষা নিকেতন স্কুলে মহাসমারোহে শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গ কপালী সমিতির ৩৮ তম রাজ্য সম্মেলন। সম্মেলনে বিভিন্ন জেলার ৫ শতাধিক কপালী সম্প্রদায়ের মানুষ উপস্থিত হন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমিতির অন্যান্য বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন বর্ষীয়ান কাশিকান্ত সরকার, ডাঃ রাধাপদ মন্ডল, মধুসূদন মন্ডল, ধীরেন্দ্রনাথ হাজরা, রামচন্দ্র বিশ্বাস, রাধারমন মন্ডল, সমাজকর্মী মানব বিশ্বাস, অনিরুদ্ধ রায়,

শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র প্রামানিক, ছিলেন অসীম জ্যোতি মন্ডল, ডঃ নিরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ওবিসি সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমল কুমার চন্দ্র প্রমূখ। উদ্যোক্তারা সকলকে উত্তরীয়, ব্যাজ ও পুষ্পস্তবকে বরণ করে নেন।

সভাপতি তুষার কান্তি হালদার তার স্বাগত ভাষণে আয়োজিত সম্মেলনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন। সম্পাদক গিরিজা বাবু পিছিয়ে পড়া সমাজের কপালী সম্প্রদায়ের মানুষজনের স্বার্থে আন্দোলন জারি রাখার আহ্বান জানান, ১০% সংরক্ষণ সহ আট দফা দাবি ওঠে।

মধুসূদন বাবু বলেন, আমাদের প্রাপ্য অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে। রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করতে হবে। এজন্য সমিতির সদস্য যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে।

রাধারমন মন্ডল রাজনৈতিক সংরক্ষণের দাবি জানান। সম্মেলনে উপস্থিত রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রতিনিধিগণ প্রয়াত রাজ্য নেতৃত্ব চাঁদপাড়ার বাসিন্দা প্রশান্ত বিশ্বাসের অবদান স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এদিন ডাক্তারিতে পড়ার (MBBS) সুযোগ পাওয়া কপালী সম্প্রদায়ের সন্তান দেবার্ঘ্য মন্ডল, অভিজিৎ রায়, সন্দীপ সরকারকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এছাড়া ২৪ জন কপালী পরিবারের দুস্থ ও মেধাবী সন্তানকে ২০০০ টাকা করে ছাত্র-বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে দিলীপ পাল, শচীন বিশ্বাস, চন্দন হালদার ও শিশু শিল্পী দেবপ্রিয়া হালদারের গাওয়া গান এদিনের অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। সভাপতি তুষার বাবু জানান, এদিনের সম্মেলনে সর্বসম্মত ভাবে নতুন রাজ্য কমিটি গঠিত হয়েছে।








