পারফেক্ট টাইম ওয়েব ডেস্ক : গোবরডাঙা আমার প্রয়াস স্বেচ্ছাসেবীর উদ্যোগ ও আয়োজনে আজ ৭ই জুন ২০২৬ রবিবার অনুষ্ঠিত হলো একদম ঘরোয়া পরিবেশে তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে অনন্য সামাজিক ও পরিবেশ সচেতনতাবার্তা।

উপস্থিত ছিলেন গোবরডাঙা বিশিষ্ট সমাজসেবী মাননীয় পবিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়, বিশিষ্ট পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিত্ব মাননীয় অরিন্দম দে মহাশয়, বিপ্লব দাস মহাশয়,বিশিষ্ট শুধু নয় প্রবীণ বলিষ্ঠ সাংবাদিক ও সমাজসেবী মাননীয় যারা সত্যিটাকে তুলে ধরে, এমন ব্যক্তিত্ব দুইজন মাননীয় নীরেশ ভৌমিক ও পাচুগোপাল হাজারা।

প্রসঙ্গত উপস্থিত ছিলেন গোবরডাঙা নটরাজ কলাকেন্দ্রের কর্ণধার-শিক্ষিকা-নৃত্য শিল্পী, গোবরডাঙা আমার প্রয়াসের সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা মাননীয়া প্রিয়া দাস। আরো দুই ক্ষুদে শিল্পী একজন আমাদের গান শোনায় আয়ূসী শিকদার ও আর একজন ভায়োলিন শিল্পী পরিণীতা সরকার ছিলো ভায়োলিনে।

আমার প্রয়াসের কর্ণধার/সম্পাদকের মতে ৫ই জুন ২০২৬ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ক্যালেন্ডারে একদিন থাকলেও আমাদের উচিত সারাবছর আমরা আমাদের জন্য, আমার জন্য, ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত সচেতনভাবে মানুষের মধ্যেই এই সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দেবো এই অনুষ্ঠানের স্বার্থকতা শেখানেই।

নিজেরা সচেতন না হলে অন্যকে সচেতন করবো কি করে, সেই পুরণো কথায় ফিরে যাই ‘আপনে আচারে ধর্ম, পরকে শেখায়”। নিজে না শিখলে, নিজে না বুঝলে,অন্যকে সচেতন করবো কিভাবে আমাদের উওর খুঁজতে হবে। এই ছোট্ট সেমিনার বলুন বা এটা পরিবেশ সচেতনতা বলুন, যাই আমরা বলি বা ভাবি তার আগে সঠিক পরিকল্পনা, তারপর সেটার প্রয়োগ প্রয়োজন।

এই সভায় উপস্থিত বিশিষ্ট পরিবেশ সচেতনপ্রেমী মানুষ যারা যারা ছিলেন, তারা সুন্দরভাবে সেগুলো আরো বিস্তারিত বলেছেন। আমরা উপস্থিত সকলেই আত্ম উপলব্দি সেটা কতটা করেছি, জানিনা। পরিশেষে আজ আমদের এই কর্মসূচী একটু বিলম্বিত শুরু হয়েছে যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে, যার ফলে আরো একজন সত্যি কারের কিংবদন্তী পরিবেশ সচেতনতা কিভাবে দিনের পর দিন করে যেতে হয় অক্লান্ত পরিশ্রম আমরা দেখেছি, সে হলো আমার স্যার শ্রী নন্দ দুলাল বসু, উনি আসতে পারেনি।

আসার কথা ছিলো। সমস্ত গোবরডাঙার সবুজয়ান এর পিছনে তার নি:স্বার্থ প্রয়াস ভাবা যায় না, এবং সেটা সবাই এক কথাই স্বীকার করবো।আজ আমরা একটা ফলের গাছ রোপন করেছি আমার প্রয়াসে উপস্থিত এইদিনের সকলে। গাছটি একটি সবেদা গাছ, যার ফল আমরা ও পাখির খেতে পারবো শুধু না, এর ছায়া পাবো। অক্সিজেন তো আছে।গাছ একমাত্র প্রতিবাদ ছাড়া তার নিজের কাজ করে যায় দিনের পর দিন।

আমরা ছোটোদের কাটিং কলম কিভাবে করা যায় সেটা শিখিয়েছি,নতুন গাছের জন্ম দেওয়া। যেমন টগর, জবা, গন্ধরাজ,করবি, বগনভোলিয়া গাছের চারা বানানো শিখিয়েছি। ওটা সেটা যেটা আলাদাই অনুভূতি যারা নতুন শিখেছে তারাই বলবে, আজ এই অব্দি থাক। আমরা সারা বছর সচেতন থাকি, জনসেচনতা করি নিজেদের সাধ্যমতো,যেটা সারাবছর গোবরডাঙা আমার প্রয়াস স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সকল স্বেচ্ছাসেবক করে।



















Leave a Reply