নীরেশ ভৌমিক : বিগত বছরগুলির মত এবারও নানা অনুষ্ঠান ও কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হল অষ্টপ্রহর মহানাম যজ্ঞ ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান।

গত ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গাইঘাটার সিংজোল রাধা গোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে কলকাতার রূপ মঞ্জুরী অপেরা পরিবেশিত ভক্তিমূলক ‘সাধক রামপ্রসাদ’ যাত্রাপালার মধ্য দিয়ে ৫ দিন ব্যাপী আয়োজিত নানা অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

দ্বিতীয় দিন সকালে আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরে কলকাতার সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীগণ ৮০ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতার রক্ত সংগ্রহ করেন। এদিনের রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ৭৩ বারের রক্তদাতা শিক্ষক চিন্ময় বিশ্বাস।

এদিনের অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য শিবিরে বিশিষ্ট চিকিৎসকগণ বিনা পারিশ্রমিকে দুঃস্থ গ্রামবাসীগণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। সন্ধ্যায় প্রখ্যাত কীর্তনীয়া সম্পা গোস্বামীর গাওয়া পদাবলী কীর্তন গান সমবেত শ্রোতৃ মন্ডলীকে মুগ্ধ করে।

১৭ জানুয়ারি মধ্যাহ্নে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহ গঙ্গাবরণ শেষে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শ্রীখোল বাদক রঞ্জনা হালদার এবং দূরদর্শন শিল্পী পার্বতী হালদার ও প্রিয়াঙ্কা হালদারের কন্ঠের নাম সংকীর্তন,

সন্ধ্যায় শ্রীগুরু রসরাজ সম্প্রদায়ের অধিবাস কীর্তন এবং পরদিন মহানাম যজ্ঞের অনুষ্ঠানে অগণিত ধর্মপ্রাণ মানুষজনের উপস্থিতি চোখে পড়ে। মধ্যরাতে মুর্শিদাবাদের মামা ভাগ্নে সম্প্রদায় এর রাসলীলা পরিবেশিত হয়।

অন্যতম সংগঠক শিক্ষক পলাশ ও অভিজিৎ মজুমদার জানান, ৫ ই মাঘ উৎসবের শেষদিনের সকালে নগর পরিক্রমা ও মধ্যাহ্নে মহাপ্রসাদ গ্রহণে গ্রামবাসীগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি চোখে পড়ে।

সন্ধ্যায় বাউল সম্রাট সখা দাস বাউল ও মানু দে’র কন্ঠের বাউল সংগীতানুষ্ঠান উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মানুষজনের হৃদয়কে স্পর্শ করে। নানা অনুষ্ঠান ও গ্রামবাসীগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে রাধা গোবিন্দ মন্দির অঙ্গনে অনুষ্ঠিত সমগ্র অনুষ্ঠান সার্থকতা লাভ করে।




















Leave a Reply