
নীরেশ ভৌমিক : এলাকার সংস্কৃতিপ্রেমী ও গ্রন্থ প্রেমী মানুষজনের ঐকান্তিক প্রয়াসে ১৯২৫ সালের গোবরডাঙ্গা বাবুপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় বরদাকান্ত সাধারণ পাঠাগার। পরবর্তীকালে গ্রন্থাগারটি সরকারি অনুমোদন লাভ করে। শ্রীবৃদ্ধি ঘটে গ্রন্থাগারটির।

বর্তমানে গ্রন্থাগারের সাত সহস্রাধিক পুস্তক থাকলেও বর্তমানে পাঠকের সংখ্যা অতি নগণ্য। গ্রন্থাগারের শতবর্ষ পূর্তিকে সামনে রেখে গ্রন্থাগারে পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন গ্রন্থ প্রেমী মানুষজন। গ্রন্থাগারের শতবর্ষ উদযাপন কমিটির উদ্যোগে

গত ৩০ ডিসেম্বর ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকার গ্রন্থ প্রেমী মানুষজনের এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। অতঃপর নববর্ষের সূচনায় গত ১০-১১ জানুয়ারি পাঠাগার অঙ্গনে গ্রন্থাগারের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গোবরডাঙ্গার পৌর প্রধান শংকর দত্ত,

বর্শিয়ান শিক্ষক পবিত্র মুখোপাধ্যায়, কালিপদ সরকার প্রমূখ বিশিষ্টজন। গ্রন্থাগারের সভাপতি প্রভাকর মুখোপাধ্যায়ের পৌরহিত্যে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে এই পাঠাগারে পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধি করে গ্রন্থাগারকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

দু’দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে অঙ্কন, আবৃত্তি, নৃত্য, বক্তৃতা, সংগীত, প্রশ্নোত্তর ও প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতায় এলাকার শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করে। শেষ দিনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অংশ নেন দফতরের অবসরপ্রাপ্ত উপ অধিকর্তা স্বপ্না রায় ও অধ্যাপক বাসুদেব মন্ডল।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে গ্রন্থাগারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন এবং শতবর্ষ প্রাচীন এই গ্রন্থাগারের শ্রী বৃদ্ধি কামনা করেন। উদযাপন কমিটির সভাপতি সত্যব্রত দাস সম্পাদক সুশোভন ভট্টাচার্য ও দীপক নন্দী এবং গ্রন্থাগার কর্মী জুঁই পাল প্রমুখের আন্তরিক উদ্যোগে পাঠাগারের শতবর্ষ উদযাপন উৎসব সার্থক হয়ে ওঠে।






















Leave a Reply