ঠাকুরনগর বইমেলার উদ্বোধনে বহু বিশিষ্টজনের সমাগম

নীরেশ ভৌমিক : গত ১২ ডিসেম্বর সকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্রন্থ প্রেমী মানুষজনের এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে ডঃ অসীম বালা কর্তৃক জাতীয় এবং সভাপতি কালিদাস বণিক কর্তৃক বইমেলা-২০২৫ এর পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মহাসমারোহে শুরু হয় ২৯ তম বর্ষের ঠাকুরনগর বইমেলা।

সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণের সুসজ্জিত মঞ্চে প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও প্রশিক্ষক জয়ন্ত বিশ্বাসের পরিচালনায় কবি সুকান্তের কবিতা ও সংগীতের মধ্য দিয়ে কচি-কাঁচাদের মনোজ্ঞ নৃত্যানুষ্ঠান শেষে মঙ্গলদীপ প্রোজ্বলন করে আয়োজিত গ্রন্থ-মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন

কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্টার ও বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী রজত বন্দ্যোপাধ্যায়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন প্রধান অতিথি গবেষক কঙ্কন ভট্টাচার্য, ছিলেন প্রাক্তন সংসদ ডঃ অসীম বালা, সুজন চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সাহিত্যিক কপিল কৃষ্ণ ঠাকুর,

প্রধান শিক্ষক অজিতেশ বিশ্বাস, জাতীয় শিক্ষক ডঃ নিরঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, শিক্ষক অনুপম দে, সাংবাদিক অলক বিশ্বাস প্রমূখ। মেলা কমিটির সভাপতি কালিদাস বণিক ও সম্পাদক বিদ্যুৎকান্তি মন্ডল উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানান।

সদস্যরা সকল বিশিষ্টজনদের পুষ্পস্তবক, উত্তরীয় ও স্মারক উপহারে বরণ করে নেন।বিশিষ্টজেনেরা তাঁদের বক্তব্যে শহর কলকাতা থেকে বহু দূরে এই গ্রাম্য এলাকায় দীর্ঘ ২৮ বৎসর যাবৎ চলা এই মেলার উদ্যোক্তা’গণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সেই সঙ্গে আয়োজিত মেলার সাফল্য কামনা করেন।

এদিন মঞ্চ থেকে পত্রিকা সম্পাদক শিক্ষক দীপক মিত্র সম্পাদিত মেলা কমিটির মুখপত্র ‘বর্ণমালিকা’র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন উদ্বোধক রজত বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী কপিল কৃষ্ণ ঠাকুরকে নিয়ে লেখা প্রদীপ মন্ডলের গ্রন্থটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়।

মেলায় বহু বইয়ের স্টল লিটল ম্যাগাজিন ছাড়াও বহু খাবার ও মনোহারী দোকান রয়েছে। সম্পাদক বিদ্যুৎ বাবু জানান, প্রতিদিন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, কৃতি ছাত্র-ছাত্রী সংবর্ধনা, পুরস্কার প্রদান, দুঃস্থ পড়ুয়াদের প্রতি বৃত্তি প্রদান করা হবে।

২০ ডিসেম্বর স্বেচ্ছা রক্তদান এবং শেষ দিনে দুপুরে কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম শতবর্ষের আলোকে আয়োজিত এবারের বই মেলা চলবে ২১ ডিসেম্বর অবধি।








