জন্মপক্ষে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্মরণে বর্ণময় আয়োজন – বাংলা বিভাগের উদ্যোগে কিছুকথা, গান, আবৃত্তি, ক্যুইজ, চিত্রাঙ্কন ও তথ্যচিত্র প্রদর্শন

জহিরুল ইসলাম : সাহিত্যপ্রেম, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চেতনার এক মননশীল আবহে আজ, সোমবার বেলা ১২টায় ড. বি.আর. আম্বেদকর শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম তথা ‘বিভূতিভূষণ ভবন’-এ অনুষ্ঠিত হল কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণে ‘জন্মপক্ষে—বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্মরণ’ কর্মসূচি।ড. বি.আর. আম্বেদকর শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে তৈরি হয় সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক আবেগঘন পরিবেশ।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম, জীবনবোধ ও সৃষ্টিশীলতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি নবীন প্রজন্মের মধ্যে সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক মননের প্রসার ঘটানোই ছিল এই আয়োজনের অন্যতম তাৎপর্য।অনুষ্ঠানে ছিল কিছুকথা, গান, আবৃত্তি, ক্যুইজ, চিত্রাঙ্কন এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শন—বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল পর্বের সমন্বয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে বৈচিত্র্যময়।

সাহিত্যের সঙ্গে শিল্প, সংগীত ও জ্ঞানচর্চার এই মেলবন্ধন উপস্থিতদের মধ্যে বিভূতিভূষণের সাহিত্যজগতকে নতুন করে অনুভব করার সুযোগ করে দেয়।অনুষ্ঠানের মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন ড. বি.আর. আম্বেদকর শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. চিত্তরঞ্জন দাস।

তাঁর উপস্থিতি ও সহযোগিতায় আয়োজিত এই স্মরণ-অনুষ্ঠান কলেজের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একটি তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন হয়ে উঠেছে।বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্য আজও প্রকৃতি, মানুষ ও জীবনের অন্তর্লীন সৌন্দর্যের সঙ্গে পাঠককে এক গভীর আত্মিক সংযোগে আবদ্ধ করে।

তাঁর জন্মপক্ষকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই স্মরণ অনুষ্ঠান সেই সাহিত্যঐতিহ্যের প্রতি নতুন প্রজন্মের শ্রদ্ধা ও অনুরাগকে আরও সুদৃঢ় করার একটি সুন্দর প্রয়াস হিসেবেই প্রতিভাত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *