নীরেশ ভৌমিক : দত্তপুকুর দৃষ্টি নাট্য সংস্থার উদ্যোগে তাদের ২০ তম স্যালুট ডে পালিত হলো ‘দৃষ্টির’ নিজস্ব শিল্প চর্চা কেন্দ্র শিল্পশালায়ে গত ১৫ই আগস্ট শনিবার।

পশ্চিমবঙ্গের মফস্বল অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় নাট্যদল গুলির মধ্যে দত্তপুকুর দৃষ্টির নাম প্রায় সর্বজনবিদিত। এই ‘দৃষ্টি’র উদ্যোগেই দত্তপুকুরে ২০০৭ সালের ১৫ ই আগস্ট প্রথম নাট্যচর্চার মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস পালনের এই অভিনব প্রচেষ্টা শুরু হয়।

এবছর ঠিক সকাল ৯ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়, এরপর ঠিক সকাল ১১ টায় এদিনের প্রথমার্ধের প্রথম নাটক, দত্তপুকুর ‘দৃষ্টি’ প্রযোজিত “ডাকঘর” মঞ্চস্থ হয়।

এরপর আমন্ত্রিত নাট্যদল নট অ্যা স্টোরিটেলার এর নাটক “আগাডুম বাঘাডুম” মঞ্চস্থ হয়, এরপর মঞ্চস্থ হয় দ্বিতীয় আমন্ত্রিত দল বসিরহাট কিংশুক এর নাটক “ঝুঁকে পড়া মেঘ”।

এরপর অনুষ্ঠানের সাময়িক বিরতি দেওয়া হয় এবং সেই আবহে ‘দৃষ্টি’ আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রিত নাট্যদল ও উপস্থিত দর্শকবৃন্দ সকলে অংশগ্রহণ করেন।

এরপর বিকেল ৫ টায় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে ক্রমান্বয়ে মঞ্চস্থ হয় এদিনের চতুর্থ নাটক অশোকনগর অভিযাত্রী প্রযোজিত ” গুণধর সোরেন ও এক ডাইনির গল্প”, পঞ্চম নাটক ঠাকুরনগর প্রতিধ্বনি প্রযোজিত “ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা” এবং সবশেষে মঞ্চস্থ হয় এদিনের ষষ্ঠ নাটক ‘দৃষ্টি’র নবতম প্রযোজনা “পুকুর পুকুর জলের মুকুর”।

আনুমানিক প্রায় ১২০ থেকে ১২৫ জন দর্শকের উপস্থিতিতে এদিনের অনুষ্ঠানটি একটি অন্য মাত্রা পায় এবং উপস্থিত সকলেই বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে “দৃষ্টি” র এই নিরবচ্ছিন্ন সংস্কৃতি চর্চাকে অভিনন্দন জানায়।

অনুষ্ঠানের শেষে ‘দৃষ্টি’র পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত সকল নাট্যদল ও শিল্পীদের হাতে স্মারক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয় এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা ‘দৃষ্টি’ আয়োজিত এই ‘স্যালুট ডে’ বিষয়ে তাঁদের মূল্যবান মতামত রাখেন।

এরপর সকালে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে যে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সমবেত কন্ঠে ‘জাতীয় সংগীত’ গাওয়ার মাধ্যমে তার সমাপ্তি ঘটে।






















Leave a Reply