পারফেক্ট টাইম ওয়েব ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মঞ্চে তায়কোয়ান্দোয় ফের সাফল্যের স্বাক্ষর রাখল পশ্চিমবঙ্গ। হায়দ্রাবাদের জিএমসি বালযোগী স্টেডিয়ামে আয়োজিত, “ওয়ার্ল্ড ওপেন তায়েকোন্ডো তেলুগু জ্যোতি চাবাস্তা ২৫ চ্যাম্পিয়নশিপ–২০২৬”-এ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিযোগীদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করল পশ্চিমবঙ্গ তায়কোয়ান্দো দল।চ্যাম্পিয়নশিপের বিভিন্ন বিভাগে অংশ নিয়ে বাংলার তরুণ ক্রীড়াবিদরা তাঁদের দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, শারীরিক সক্ষমতা ও ক্রীড়াশৈলীর অনন্য পরিচয় দেন।

প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েও পশ্চিমবঙ্গের খেলোয়াড়রা সাহস, শৃঙ্খলা ও একাগ্রতার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যান। তাঁদের সেই ধারাবাহিক প্রয়াসের ফলেই আসে একাধিক পদক ও সাফল্য।পদক জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন খেলোয়াড়রা। তাঁদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন কোচ, অভিভাবক এবং দলের অন্যান্য সদস্যরাও। এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত কৃতিত্ব নয়, বরং পশ্চিমবঙ্গে তায়কোয়ান্দো খেলাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ক্রীড়ামহলের একাংশ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিজয়ী ক্রীড়াবিদদের অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, ছোট বয়স থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ তৈরি করা এবং নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিভাকে বিকশিত করা গেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গ দলের এই পারফরম্যান্স আগামী প্রজন্মের তরুণ ক্রীড়াবিদদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে তাঁরা আশাবাদী।উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান তায়কোয়ান্দো খেলোয়াড়রা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গ দলের একাধিক পদক জয় তাই বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বাংলার ক্রীড়াবিদদের এই সাফল্য প্রমাণ করল—সুযোগ, সঠিক প্রশিক্ষণ এবং নিরলস পরিশ্রম পেলে বাংলার তরুণ প্রতিভারাও বৃহত্তর ক্রীড়া মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে।হায়দ্রাবাদের মাটি থেকে বাংলার তায়কোয়ান্দো দলের এই সাফল্য তাই শুধু পদকের হিসাব নয়; এটি আগামী দিনের আরও বড় স্বপ্ন দেখার এক নতুন প্রেরণা। বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন আয়োজক, কোচ, অভিভাবক এবং ক্রীড়াপ্রেমীরা।উল্লেখ্য, বিটিএ (BTA) ও এটিএস (ATS) একাডেমি (পশ্চিমবঙ্গ)-এর সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক।

এআইটিএফ (AITF)-এর ঝুলিতে এবার এল ৭টি স্বর্ণপদক, ২টি রৌপ্যপদক এবং ৫টি ব্রোঞ্জপদক—সব মিলিয়ে মোট ১৪টি পদক। এই অভাবনীয় সাফল্য পশ্চিমবঙ্গের এআইটিএফ (AITF)-এর পদকভাণ্ডারকে যেমন সমৃদ্ধ করেছে, তেমনই বাগদা ব্লকের ঐতিহ্যবাহী এটিএস (ATS) একাডেমির গৌরবও আরও উজ্জ্বল করেছে। কোচ জহিরুল ইসলাম বিশ্বাসের সুযোগ্য নেতৃত্ব, নিরলস প্রশিক্ষণ ও সুদক্ষ পরিচালনায় এটিএস একাডেমি ইতিমধ্যেই ক্রীড়াঙ্গনে এক স্বতন্ত্র মর্যাদা অর্জন করেছে।






















Leave a Reply