নীরেশ ভৌমিক : ঘোষিত সময় বিকেল ঠিক চারটায় মহাসমারোহে শুরু হয় সঙ্গীত শিক্ষার প্রতিষ্ঠান গীতবীথির কবি প্রণামের অনুষ্ঠান। শুরুতেই উপস্থিত সকলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে ফুল-মালা অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সংস্থার কর্ণধার বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ মিহির লাল চক্রবর্তীর পরিচালনায় শিক্ষার্থীগণের সমবেত কণ্ঠে কবিগুরুর ‘হে নূতন দেখা দিক আয়বার…’ সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে আয়োজিত কবি প্রণাম অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দীপমন্ত্র পাঠ করেন গর্বিতা দাস।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমী পবিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়, আশিস চট্টোপাধ্যায়, শিক্ষক মনোরঞ্জন ঘোষ, পলাশ মন্ডল ও বর্ষীয়ান রবীন্দ্র অনুরাগী শংকর প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডাঃ দিলীপ ঘোষ প্রমুখ।

বিশিষ্টজনেরা কবিগুরুর বহুমুখী প্রতিভার আধিকারী সাহিত্য, জীবন, কর্ম, আদর্শ ও দর্শনের উপর আলোকপাত করে মনোজ্ঞ ভাষণ দেন।প্রতিষ্ঠানের সদস্য ও শিক্ষার্থীগণ কবিগুরুর সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি ইত্যাদির মধ্য দিয়ে গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজোর মাধ্যমে কবির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

ছোট শিক্ষার্থী অয়ন ঘোষ, সঞ্জয় মালো, অর্ক ঘোষ, শ্রদ্ধা ঢালি, সৃজিতা রায় ও ভৈরবী মন্ডল প্রমুখের সঙ্গীত ও আবৃত্তির অনুষ্ঠান এবং পার্থ বিশ্বাসের বাঁশির সুর গীতবীথি আয়োজিত এদিনের কবি বন্দনার অনুষ্ঠানকে বেশ আকর্ষণীয় করে তোলে।

পরিশেষে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব গোবরডাঙা শিল্পায়নের কর্ণধার আশিস চ্যাটার্জী ও তানিশা রায় পরিবেশিত কবিগুরুর রক্তকরবী শ্রুতি নাটকের কিছুটা অংশ পরিবেশন করেন। সঙ্গীত, আবৃত্তি, নৃত্য, নাটক ও কথায়-কবিতায় এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠান বেশ জম-জমাট হয়ে ওঠে।


















Leave a Reply