রাজ্যপালের হাত থেকে ‘তপশিলী রত্ন সম্মান’ গ্রহণ করলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক-শিল্পী ও সমাজসেবী ড.বাসুদেব মন্ডল

পারফেক্ট টাইম ওয়েব ডেস্ক : সাহিত্য, চিত্রকলা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘তপশিলী রত্ন সম্মান’ অর্জন করলেন এক বিশিষ্ট সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পী, সমাজসেবী তথা হেলেঞ্চা ড. বি.আর.আম্বেদকর শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. বাসুদেব মন্ডল।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬, কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল লাইব্রেরি (National Library), ভারত সরকার, কলকাতা-র ভাষা ভবন অডিটোরিয়াম-এ আয়োজিত এক বিশেষ সম্মাননা অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আর. এন. রবি (Hon’ble Governor Shri R. N. Ravi)-র হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি।

এই পুরস্কার প্রদান করা হয় National Commission for Scheduled Castes, Government of India-এর পক্ষ থেকে।সাহিত্য-শিল্প-সমাজসেবার স্বীকৃতি সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি সাহিত্য ও চিত্রকলার মাধ্যমে সংস্কৃতি চর্চায় তাঁর দীর্ঘদিনের কাজ এই সম্মাননার মূল ভিত্তি বলে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা জানান, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তাঁর নিরলস কর্মপ্রচেষ্টা এবং শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁর সৃজনশীল অবদান সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সম্মাননা গ্রহণের পর তিনি বলেন, “এই পুরস্কার আমার কাছে শুধুমাত্র একটি সম্মান নয়, এটি আমার দীর্ঘদিনের সাধনা, পরিশ্রম এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার স্বীকৃতি।

আমি কৃতজ্ঞ National Commission for Scheduled Castes, Government of India, MAKAIAS এবং Toposili Utthan-এর কর্মকর্তাদের প্রতি—যাঁরা আমাকে এই সম্মানের জন্য নির্বাচিত করেছেন। অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং সুশৃঙ্খল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃতি জগতের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক গৌরবময় পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

বক্তারা বলেন, এই ধরনের সম্মাননা সমাজের প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন ও অনুপ্রেরণার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘তপশিলী রত্ন সম্মান’ প্রাপ্তির মাধ্যমে তিনি শুধু ব্যক্তিগত সম্মানই অর্জন করেননি, বরং সমাজসেবা ও সংস্কৃতিচর্চার পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য বহু মানুষকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করলেন বলে মত প্রকাশ করেছেন উপস্থিত অতিথিরা। সব মিলিয়ে, এই সম্মাননা অনুষ্ঠান সমাজসেবার পাশাপাশি সাহিত্য ও শিল্পচর্চার ক্ষেত্রেও এক উল্লেখযোগ্য বার্তা বহন করে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *