বাগদায় ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ’-এর পরিচিতি বর্গ ও এডহক কমিটি গঠন

পারফেক্ট টাইম ওয়েব ডেস্ক : রাষ্ট্র ও প্রদেশের সরকারি কর্মচারীদের স্বার্থ, কল্যাণ এবং সাংগঠনিক সংহতিকে সামনে রেখে বাগদা ব্লকে গঠিত হল ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ’-এর পরিচিতি বর্গ ও এডহক কমিটি। সংগঠনটির দাবি, সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা, অধিকার ও কল্যাণমূলক বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন ও জনস্বার্থে সরকারি পরিষেবাকে আরও কার্যকর করে তোলাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘ’ সংগঠনটি BMS, GENC এবং রাষ্ট্রীয় রাজ্য কর্মচারী মহাসংঘ অনুমোদিত বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বাগদা বিডিও অফিসের ১ নম্বর মিটিং হলে এই উপলক্ষ্যে একটি সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বাগদা ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের অসংখ্য সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বাগদা মণ্ডল-১-এর সভাপতি দিবাকর তরফদার সহ স্থানীয় বেশ-ক’জন বিজেপি নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের গেরুয়া উত্তরীয় ও পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মানের আবহে সম্পন্ন হয় পরিচিতি পর্ব ও সাংগঠনিক আলোচনা। সভায় নবগঠিত এডহক কমিটির কনভেনর কৌশিকবাবু এবং সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব সংগঠনের আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে সরকারি কর্মচারীদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার।

সংগঠনের নেতৃত্বের বক্তব্য, রাজ্য সরকার তথা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন ও জনস্বার্থকে সর্বাগ্রে বিবেচনায় রেখেই এই সংগঠন নিরলসভাবে সকল প্রকার সরকারি কার্যক্রমে সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবে। একইসঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশ এবং তাঁদের ন্যায্য স্বার্থের বিষয়গুলিও সাংগঠনিকভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাগদা ব্লকে এই নতুন সাংগঠনিক পরিকাঠামো গড়ে ওঠায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে বলেই মনে করছেন সংগঠনের উদ্যোক্তারা। আগামী দিনে ব্লকের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের নিয়ে সংগঠনটি কীভাবে তার কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যায়, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *