নীরেশ ভৌমিক : ভারতের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে টাকির অন্যতম নাট্যদল, আমরা অমলকান্তি, টাকি একটু অন্য ধারায় দিনটি পালন করলো। সকালে টাকি রিক্রিয়েশন ক্লাবে একদল অমলকান্তির উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হলো ও অল্প সময়ের জন্য একটি ছোটো সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলো ওই ক্লাবে।

আমরা অমলকান্তির ৬ জনের একটি দল সকাল ৭ টায় যাত্রা শুরু করেছিলো সুন্দরবনের কাছাকাছি ” মালেকানগুমটির উদ্দেশ্যে।সকাল ১০ টায় মালেকানগুমটি আগ্রগামী সংঘে শুরু হলো লাল্টু দাশের নেতৃত্বে ছোটো ছোটো শিশুদের নিয়ে মুখোশ তৈরির কর্মশালা। তারপর নাট্যদলের সাম্পান বন্দ্যোপাধ্যায় ও সিন্টু পালের প্রশিক্ষণে শুরু হলো নাট্য কর্মশালা।

বেশ কয়েক ঘন্টা চলার পরে উপস্থিত ২৫ টি শিশুর হাতে অঙ্কন সামগ্রী তুলে দিলো নাট্যদলের সদস্যরা। আজ প্রশিক্ষণ শেষে মালেকানগুমটি অগ্রগামী সংঘে মোট ৫০ জনের খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছিলো আমরা অমলকান্তি। সেখান থেকে আমরা দুপুর ৩ টের সময় পৌঁছে গেলাম মাধবকাটি” দীঘির বাড়ী “। এক অসাধারন পরিকল্পনায় কাজ হচ্ছে এখানে।

সমগ্র বিষয়গুলি পরিচালনা করে “দীঘির গাঙ্গুলি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট”, যে ট্রাস্টের প্রধান মানুষ” সৌমেন গাঙ্গুলী ও সীমা গাঙ্গুলী। সেখানে আমরা অমলকান্তির ছেলেরা তিন ঘণ্টা এক মনোরম নাট্য কর্মশালা পরিচালনা করে। নাট্য কর্মশালার পরে ওখানে ত্রিশটি শিশুর হাতে অঙ্কন সামগ্রী তুলে দেওয়া হলো। ওই ট্রাস্টের প্রধান, সৌমেন গাঙ্গুলীর হাতে একটি সিলিং ফ্যান তুলে দিলো নাট্যদলের সদস্যরা।

সমগ্র অনুষ্ঠান দুটি সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করেন আমরা অমলকান্তি নাট্যদলের নির্দেশক ও সভাপতি, সুদীপ্ত ব্যানার্জী। এই মহৎ কাজে যারা অনুদান দিয়ে সাহায্য করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও আশি তম স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের স্মৃতি চারনা করে ও স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।




















Leave a Reply