ভাদুড়ী মহাশয়ের পবিত্র পদার্পণ স্মরণে

পারফেক্ট টাইম নিউজ ডেস্ক : দোল পূর্ণিমার পরম পবিত্র তিথিতে কলকাতার গড়পার অঞ্চলে ভাদুড়ী মহাশয় অর্থাৎ পরমহংস মহর্ষি নগেন্দ্রনাথের প্রথম পদার্পণ তিথি স্মরণে কলকাতার সনাতন ধর্ম প্রচারিণী সভা, শ্রীশ্রীনগেন্দ্র মঠ এবং নগেন্দ্র মিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত হলো দু দিনব্যাপী পদার্পণ মহোৎসব। ১৯১৬ সালের দোল পূর্ণিমায় রামমোহন রায় রোডের নবনির্মিত এই আশ্রমে পদার্পণ করেছিলেন মহর্ষিদেব।মহর্ষিদেবের সেই পবিত্র পদার্পণ স্মরণে প্রতিবছরের মত এবারও পালিত হলো পবিত্র পদার্পণ মহোৎসব।দুই দিনব্যাপী এই পদার্পণ মহোৎসবে ২ মার্চ বিকেলে ছিল মহর্ষিদেবের চিত্রসহ পদযাত্রা।সন্ধ্যায় ছিল নামগান, ধর্মীয় আলোচনা। এই আলোচনায় মহর্ষিদেবের মহাজীবনের নানা দিক নিয়ে বক্তব্য রাখেন দেবাশিস বোস এবং ড. শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

৩ মার্চ ছিল বিশেষ হরিকথা, গীতাপাঠ, যজ্ঞানুষ্ঠান, মহর্ষিদেবের রচিত ও সুরারোপিত পরমার্থসঙ্গীত পরিবেশনা। ছিল প্রসাদ বিতরণ পর্বও। এই পদার্পণ মহোৎসবের সামগ্রিক আয়োজনে ছিলেন নগেন্দ্র শ্রীশ্রীনগেন্দ্র মঠের সভাপতি রাধাশ্যাম দত্ত, নগেন্দ্র মিশনের সভাপতি গৌর হরি শাসমল এবং নগেন্দ্র মিশনের কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় ভট্টাচার্য।গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধা সহকারে এই পদার্পণ মহোৎসব পালিত হয় পূর্ব মেদিনীপুরের পূর্ব মুকুন্দপুরে মহর্ষিদেবের নবনির্মিত মন্দিরেও। এখানেও ছিল নামগান, পূজা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান।এই পদার্পণ মহোৎসবের আয়োজন প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীনগেন্দ্র মঠের সম্পাদক ড. রবীন্দ্রনাথ কর বলেন, প্রচলিত রীতি মেনে প্রতিবছর নিষ্ঠার সঙ্গে এই পর্ব পালিত হয়। এবছরও এই অনুষ্ঠান কলকাতা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের পূর্ব মুকুন্দপুরে শ্রদ্ধা ও ভক্তি সহকারে পালন করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে মহর্ষিদেবের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর প্রপৌত্রী শিবানী ভট্টাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কলকাতার আশ্রমে মহর্ষিদেবের এই পদার্পণ উপলক্ষে প্রতিবছরই সনাতন ধর্মপ্রচারিণী সভা, শ্রীশ্রীনগেন্দ্র মঠ এবং নগেন্দ্র মিশনের পক্ষ থেকে গভীর ভক্তি ও শ্রদ্ধা সহযোগে পদার্পণ মহোৎসব পালন করা হয়। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *