নীরেশ ভৌমিক : ২৭ মার্চ বিশ্ব নাট্য দিবসের সন্ধ্যায় ঠাকুরনগর খেলার মাঠের সুসজ্জিত মঞ্চে মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বলন করে ঠাকুরনগর প্রতিধ্বনি আয়োজিত ৩১ তম সৃজন উৎসব এর উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক বিভাস রায় চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন, স্থানীয় ইছাপুর-২ এর সংস্কৃতিপ্রেমী পঞ্চায়েত প্রধান দীপক মন্ডল, অবসরপ্রাপ্ত বর্ষিয়ান শিক্ষক অনুপম দে, বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ পার্থ ঘোষ, নাট্যব্যক্তিত্ব মুকুন্দ চক্রবর্তী, বিধান হালদার প্রমুখ।

সংস্থার পক্ষে সভাপতি জয়দেব হালদার সকলকে স্বাগত জানান, সদস্যগণ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক ও স্মারক উপহারে বরণ করে নেন।স্বাগত ভাষণে প্রতিধ্বনির প্রতিষ্ঠাকালের সদস্য শিক্ষক সুশান্ত বিশ্বাস ও সভাপতি জয়দেব হালদার সকলকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন

এবং সেই সঙ্গে আয়োজিত উৎসবের সাফল্য কামনা করেন। বিশিষ্টজনেরা সকলে তাঁদের বক্তব্যে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে – প্রতিধ্বনির নিরন্তর প্রয়াসকে সাধুবাদ জানান।উদ্যোক্তারা এদিন সংস্কৃতি ও নাট্যপ্রেমী বর্ষীয়ান শিক্ষক

রঞ্জিত বণিক বিশ্বাসকে প্রতিধ্বনি স্মারক সম্মান – ২০২৬ এ ভূষিত করেন, উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এদিন আয়োজক সংস্থা প্রতিধ্বনি প্রযোজিত এবং সুশান্ত বিশ্বাস নির্দেশিত নতুন নাটক ‘ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা’ এবং গোবরডাঙ্গা রঙ্গভূমি পরিবেশিত

রবি ঠাকুরের কাহিনী অবলম্বনে নাটক ‘শাস্তি’ সমবেত দর্শকমন্ডলীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা লাভ করে। সংস্থার সম্পাদক পার্থপ্রতিম দাস জানান, তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে শ্রুতিনাটক, নৃত্যানুষ্ঠান,

যোগাসন প্রদর্শনী, সংগীত, আবৃত্তি, নাটকের সেমিনার ও ছোটদের অংকন প্রতিযোগিতা। প্রতিধ্বনির সৃজন উৎসবকে ঘিরে এলাকার সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষদের মধ্যে বেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে।



















Leave a Reply