নীরেশ ভৌমিক : বিগত শতাব্দীর ১৯৭৮ সালে চাঁদপাড়ার ঢাকুরিয়া হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করা প্রাক্তন পড়ুয়ারা ইতিমধ্যেই কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহন করেছেন।এখন তাদের প্রত্যেকেরই বয়স ষাট এর উপরে,কিন্তু এখনও তাঁরা তাঁদের প্রিয় স্কুল

এবং শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহাশয়গণকে ভোলেননি। তাঁদের সময়কার একমাত্র জীবিত শিক্ষক গোবরডাঙ্গা পার্শ্বস্থ গাইঘাটার মধুসূদনকাটি গ্রামের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা বিজ্ঞান শিক্ষক কালিপদ সরকার।

আটাত্তরের সেই সমস্ত ছাত্রদের কয়েকজন একত্রিত হয়ে ঠিক করলেন পুজোর আগেই তাঁরা তাঁদের প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় কালিপদ স্যারের বাড়ি যাবেন, স্যারের সাথে দেখা করবেন এবং শ্রদ্ধা জানাবেন। কথা অনুযায়ী কাজ।

গত ৪ অক্টোবর সকালে জনা দশ প্রাক্তন পড়ুয়া স্যারের বাড়ি পৌঁছে যান। ১০০ গোলাপ ফুলের স্তবক কালিপদ স্যারের হাতে তুলে দিয়ে এবং প্রণাম করে সকলে তাঁর শতায়ু কামনা করেন।

ছাত্রদের মধ্যে ছিলেন বিশ্বজিৎ মুখার্জী, দীপঙ্কর সরকার, প্রবীর মজুমদার, শিশির চক্রবর্তী, অসিত দত্ত,শৈলেন সরকার, অসীম দত্ত, নিত্য বিশ্বাস ও অজিত চক্রবর্তী প্রমূখ।শুধু পুষ্প স্তবক নয়, শারদোৎসব উপলক্ষে ধুতি ও পাঞ্জাবীও তুলে দেন স্যারের হাতে।

সেই সঙ্গে স্যারের – সহধর্মিনী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা রেবা দেবীর হাতে শাল তুলে দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সকলেই। প্রায় ৫০ বৎসর পূর্বের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে এই সম্মান পেয়ে আবেগে আপ্লুত শিক্ষক কালিপদবাবু ও তাঁর পত্নী রেবা দেবী।

স্যার কালিবাবু তাঁর এই প্রিয় ছাত্রদের স্কুলজীবনের মুখগুলি এবং পরিচয় খোঁজার চেষ্টা করেন। আলোচনায় স্কুল জীবনের নানা বিষয় উঠে আসে।এর পর একাধিকবার রাজ্য ও জাতীয় পুরষ্কারে ভূষিত

মধুসূদনকাটি সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির দীর্ঘকালের সভাপতি কালিবাবু তাঁর প্রিয় ছাত্রদের সমিতির বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখান। সবকিছু দেখে-শুনে – অতিশয় খুশি ছাত্রদল অপরাহ্নে বাড়ি ফিরে আসেন।




















Leave a Reply