হেলেঞ্চা বাজারে ফের মদের দোকান, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা

পারফেক্ট টাইম ওয়েব ডেস্ক : দীর্ঘদিনের দাবি ও আপত্তির পরও হেলেঞ্চা বাজারে ফের মদের দোকান চালু হওয়ায় নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বাজার ও সংলগ্ন এলাকায় মদের দোকান চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অভিভাবকদের একাংশও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তাঁদের অভিযোগ, জনবহুল বাজার এলাকায় মদের দোকান চালু হলে পরিবেশ ও সামাজিক নিরাপত্তার উপর তার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, হেলেঞ্চা বাজারে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ কেনাকাটা ও বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। আশপাশে রয়েছে বসতবাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও।

ফলে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকায় মদের দোকানের অবস্থান নিয়ে প্রশাসনের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করছেন।বাসিন্দাদের অভিযোগ, মদের দোকানকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যার পর বাজার এলাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ ব্যক্তি ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

যদিও মদ বিক্রির বৈধতা বা দোকানের লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দফতরের নথি যাচাই সাপেক্ষ, তবুও স্থানীয়দের দাবি—আইন মেনে ব্যবসা চলার পাশাপাশি জনস্বার্থ ও এলাকার সামাজিক পরিবেশের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন, মদের দোকানটি কোন অনুমোদনের ভিত্তিতে পুনরায় চালু হয়েছে, তার বৈধতা এবং নির্ধারিত বিধিনিষেধ মেনে ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হোক।

পাশাপাশি দোকানটির অবস্থান জনবসতি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত দূরত্ববিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটিও পরিদর্শনের দাবি উঠেছে।তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ বা দোকান কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি। স্থানীয়দের বক্তব্য, তাঁরা মদ বিক্রির বিরুদ্ধে কোনও বেআইনি পদক্ষেপের দাবি করছেন না; তাঁদের মূল বক্তব্য হল আইন মেনে ব্যবসা চলুক, কিন্তু জনস্বার্থ, সামাজিক পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস যেন না হয়।

এখন দেখার বিষয়, স্থানীয় মানুষের এই ক্ষোভ ও উদ্বেগের পর প্রশাসন বিষয়টি কতটা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখে এবং হেলেঞ্চা বাজারে মদের দোকান পরিচালনা নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *