গোবরডাঙা রেনেসাঁসে সংবর্ধিত শিক্ষক ও সমাজকর্মী পবিত্র মুখোপাধ্যায়


নীরেশ ভৌমিক : গোবরডাঙার ঐতিহ্যবাহী রেনেসাঁস ইন্সটিটিউট এর মণি দাশগুপ্ত ভবনে গত ৩০ আগস্ট ‘কুশদহ বার্তা’ পত্রিকার পক্ষ থেকে গোবরডাঙার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সমাজসেবী

এবং এতদঞ্চলের বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ বর্ষীয়ান পবিত্রকুমার মুখোপাধ্যায়কে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন অপরাহ্ণে গোবরডাঙা গবেষণা পরিষদ এর কর্নধার ও বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী দীপক কুমার দাঁ’র পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত সভায়

বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিক্ষক ও আলোচক ড. রাজেন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট লেখক ও সাহিত্যিক বাসুদেব মুখোপাধ্যায়, সমাজকর্মী ও শিক্ষক সমীর কিশোর নন্দী,

প্ৰধান শিক্ষক কমলকৃষ্ণ পাইক, সমাজকর্মী গোবিন্দ লাল মজুমদার, ডাঃ তাপস সরকার, পরিবেশবিদ মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, সংস্কৃতিপ্রেমী ধীরাজ কুমার রায়, প্রবীর কুমার হালদার, কল্পনা ঘোষ দস্তিদার, কবি-গৌরাঙ্গ দাস, বানী সেন, অনিমেষ বসাক, মোহন চন্দ প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আয়োজক রেনেসাঁস এর সভাপতি ড. সুনীল বিশ্বাস উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানান। সেই সঙ্গে আয়োজিত অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ব্যক্ত করেন। বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী সোনালী দাসের গাওয়া সংগীতের মধ্য দিয়ে আয়োজিত গ্রন্থ প্রকাশ ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

স্বনামধন্য শিক্ষাব্রতী পবিত্রবাবুকে উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক ও মানপত্র সহ নানা উপহারে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। মানপত্র পাঠ করেন প্রবীণ সাহিত্যিক বাসুদেব মুখোপাধ্যায়।

পবিত্র বাবুর বর্নময় ও কর্মব্যস্ত জীবনের বিভিন্ন দিকের উপর আলোকপাত করে মনোজ্ঞ ভাষণ দেন সভাপতি দীপক কুমার দাঁ। বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও পরিবেশবিদ মৃণাল কান্তি বিশ্বাস।

এদিন ৩৫তম বর্ষের ‘কুশদহ বার্তা’ পত্রিকার ১ম ও২য় সংখ্যার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সমাজকর্মী সমীর কিশোর নন্দী ও ডাঃ তাপস সরকার।

পবিত্র বাবু জানান, ইতিমধ্যে তিনি নাটকের শহর গোবরডাঙার বিভিন্ন নাট্যদল এবং তাদের নাট্যচর্চার উপর একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, এবারে গোবরডাঙার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি বই লেখার কাজ শুরু করছেন।


পরিশেষে প্রখ্যাত আলোচক ড. রাজেন্দ্র মজুমদার ‘উচ্ছেদ’ বিষয়ের উপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।বহু বিশিষ্ট জনের উপস্থিতিতে ‘কুশদহ পত্রিকা’ গোষ্ঠীর আন্তরিক উদ্যোগে আয়োজিত এদিনের পত্রিকা প্রকাশ ও সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান বেশ প্রানবন্ত হয়ে ওঠে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *